এবার নিজের দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করছেন গণআধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
তিনি বলেন, রাশেদ খাঁন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন। তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন। আর গণধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কে হবেন তা নির্বাহী পরিষদ এবং উচ্চতর পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে এ বিষয়ে রাশেদ খান জানিয়েছেন, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই মুহূর্তে কোন মন্তব্য করব না। কোন সিদ্ধান্ত হলে আমি জানাবো।
অন্যদিকে নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবে রাশেদ খাঁন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ ছাড়ছেন বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর। আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক অডিও বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনে জয়লাভের জন্য ধানের শীষের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাশেদ খাঁন বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ নিবেন বলেও উল্লেখ করেছেন নুর। বলেছেন, কৌশলের জন্য দল থেকে তাকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অডিও বার্তায় নুরুল হক নুর বলেন, ফ্যাসিবাদের উত্তাল সময়ে বিএনপি-গণঅধিকার পরিষদসহ প্রায় ৪২টি রাজনৈতিক দল ও জোট আমরা ফ্যাসিবাদ পতনের এক দফার দাবিতে যুগপৎ আন্দোলন করেছিলাম। সে সময় থেকেই আমাদের আলাপ-আলোচনা হয়েছিল যে ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা রাষ্ট্র সংস্কার করব। সেই লক্ষ্যে আমরা যারা যুগপৎ আন্দোলন করছি, একসাথে নির্বাচন এবং একসাথে আগামীতে জাতীয় সরকার করব।
তিনি বলেন, বর্তমান আরপিওর (গণপ্রতিনিধিত্ব আইন) বিধান অনুযায়ী জোট করলেও ভোট করতে হবে নিজের মার্কায়, স্বাভাবিকভাবেই সব এলাকায় হয়তো সব মার্কা নিয়ে সবাই জয় লাভ করতে পারবে না। যে কারণে আমাদের যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের অনেকেই নির্বাচনে জেতার কৌশল হিসেবে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ নিয়ে ধানের শীষে নির্বাচন করছে।

